This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Tuesday, September 13, 2016

আব্রাহাম লিঙ্কন এর বিখ্যাত সেই চিঠি

***{আব্রাহাম লিঙ্কন
এর বিখ্যাত সেই চিঠি}
মাননীয় মহাশয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য
আপনার কাছে প্রেরণ করলাম. তাকে
আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন -
এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ
দাবি.
আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন - সব
মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ
নয়. তাকে এও শেখাবেন, প্রত্যেক
বদমায়েশের মাঝেও একজন বীর
থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর
রাজনীতিকের মাঝেও একজন
নি:স্বার্থ নেতা থাকে. তাকে
শেখাবেন, পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে
পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত ডলার
অধিক মূল্যবান. এও তাকে শেখাবেন,
কিভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয়
এবং কিভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ
করতে হয়. হিংসা থেকে দুরে থাকার
শিক্ষাও তাকে দেবেন. যদি পারেন
নিরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে
শেখাবেন. সে যেন আগেভাগেই এ
কথা বুঝতে শেখে - যারা পীড়নকারী
তাদেরকেই সহজে কাবু করা যায়.
বইয়ের মাঝে কি রহস্য লুকিয়ে আছে,
তাও তাকে বুঝতে শেখাবেন.
আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে
নকল করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক
বেশি সম্মানজনক. নিজের ওপর তার
যেন সুমহান আস্থা থাকে. এমনকি সবাই
যদি সেটাকে ভুলও মনে করে.
তাকে শেখাবেন, ভদ্রলোকের প্রতি
ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর
হতে. আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায় -
হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরণ না
করার. সে যেন সবার কথা শোনে এবং
তা সত্যের পর্দায় ছেকে যেন
ভালোটাই শুধু গ্রহণ করে - এ শিক্ষাও
তাকে দেবেন.
সে যেন শিখে দু:খের মাঝে
কিভাবে হাসতে হয়. আবার কান্নার
মাঝে লজ্জা নেই এ কথা তাকে বুঝতে
শেখাবেন. যারা নির্দয়, নির্মম
তাদেরকে সে যেন ঘৃনা করতে শেখে
আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশে থেকে
সাবধান থাকে.
আমার পুত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন
কিন্তু সোহাগ করবেন না, কেননা
আগুনে পুরেই ইস্পাত খাটি হয়. আমার
সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না
থাকে, থাকে যেন সাহসী হওয়ার
ধৈর্য. তাকে এ শিক্ষাও দেবেন -
নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা
থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা
থাকবে মানব জাতির প্রতি.
ইতি-
আপনার বিশ্বস্ত
আব্রাহাম লিঙ্কন

Monday, September 12, 2016

বিশ্বের কোন দেশে শতকরাকত % বৌদ্ধ ধর্মালম্বী:-


Ven Dripti Vante
বিশ্বের কোন দেশে শতকরাকত % বৌদ্ধ ধর্মালম্বী:-
১)কম্বোডিয়া-97%
২)জাপান-96%
৩)থাইল্যান্ড-95%
৪)থাইওয়ান-93%
৫)মঙ্গোলিয়া-93%
৬)মায়ানমার-90%
৭)হংকং-90%
৮)ভূটান-84%
৯)চীন-80%
১০)ভিয়েতনাম-75%
১১)ম্যাকাও-75%**
১২)ক্রিসমাস ISLAND-75%
১৩)শ্রীলঙ্গা-70%
১৪)লাওস-67%
১৫)সিঙ্গাপুর-51%
১৬)দক্ষিন কোরিয়া-50%
১৭)লাদাগ-45%
১৮)সিকিম-28%
১৯)মালেশিয়া-21%
২০)ব্রুনেই-17%
২১)উত্তর কোরিয়া-14%
২২)নেপাল-11.5%
২৩)ভারত-3%
২৪)ইউএসএ-2%
২৫)জার্মানি-1%
২৬)কানাডা-03.5%
২৭)ইন্দোনেশিয়া-01.7%
২৮)ফিলিপাইন-01.5%
২৯)ফ্রান্স-01.5%
৩০)রাশিয়া-01.4%
৩১)বাংলাদেশ-0.7%
৩২)ব্রাজিল-0.5%
তথ্যসূত্র:
সবাইকে শেয়ার করে জানার সুযোগ করে দিন।এটি আমার এক ফ্রেন্ড এর প্রোফাইল থেকে সংগ্রীহিত।

Sunday, September 4, 2016

অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো : মোনঘর থেকে বনফুল


সুত্রঃ http://hotnews24bd.com/2015/03/24/62908/
রাজু আহমেদ : আদিবাসীদের ঘরে আলোর বার্তা ফেরি করা একজন নিভৃতচারী মানুষ অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো। শৈশবের রূঢ় বাস্তবতায় হেরে না গিয়ে কৈশোরকে গড়েছেন স্বপ্নচারী এক নিরেট বাস্তবতার নিরিখে। জীবনের রণক্ষেত্রে বিজয়ী ভেন. নিজেকে গড়েছেন যোগ্য থেকে যোগ্যতর হিসেবে। তিনি ভিক্ষু তবে মানুষের মননশীলতাকে মেখে নিয়েছেন সর্বাঙ্গে। সেই চিরসত্য কথার মতোই- সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।
আদিবাসীদের মাঝে মুক্তির গান গেয়ে জ্ঞানের আলো বিলানো মানুষ অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরোর জন্ম ১৯৫২ সালে খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা উপজেলার বাবুছড়া গ্রামে। তার গৃহী নাম বলেন্দ্র দেব চাকমা। পিতা প্রয়াত নরেন্দ্র লাল চাকমা এব মা প্রয়াত ইন্দ্রপতি চাকমা।
মহাথেরো ১৯৬৮ সালে দিঘীনালা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, ১৯৭২ সালে হাটাজারী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, ১৯৭৭ সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে বিএ অনার্সসহ এমএ ডিগ্রি এবং ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পালি সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো ১৯৬৮ সালে মাধ্যমিক পাসের পরপরই ভিক্ষুত্ব গ্রহণ করে মানবসেবায় মনোনিবেশ করেন। তরুন বয়স থেকেই একজন সাধারণ ভিক্ষু হয়েও  ভেন. মনে প্রাণে অনুভব করেছেন পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য উন্নয়নের একমাত্র পথ হচ্ছে শিক্ষা।  সেই থেকে ভেন. শুরু করেন এক অবিশ্রান্ত লড়াই। এই লড়াইয়ের মাঠ প্রান্তরে ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো নানা বাধা বিপত্তির মুখোমুখি হলেও হেরে যাননি। মানুষের কল্যাণ আর নিজের আত্মবিশ্বাসকে হাতিয়ার করে চালিয়ে আসছেন শিক্ষা বিস্তারের নিরন্তর এক সংগ্রাম।
১৯৭৪ সালের কথা। ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো তখন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। টগবগে এক যুবকের চোখে মুখে জীবন জয়ের অনাবিল আশা। এসময় তার দীক্ষাগুরু জ্ঞানশ্রী মহাথেরো প্রতিষ্ঠিত খাগড়াছড়ি জেলার পার্বত্য চট্রল বৌদ্ধ অনাথ আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।  অনেকটা বাধ্য হয়ে অনাথ আশ্রমটির দায়িত্ব গ্রহণ করলেও তিনি সেখানে একটা আদর্শিক ভিত্তির সূচনা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এখানেই ভেন.প্রতিষ্ঠা করেন ধর্মোদয় পালি কলেজ এবং অনাথ আশ্রম আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়। যা আজও সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো পাহাড়ী শিশুদের কোমল অন্তরে শিক্ষার আলো জ্বালাতে শ্রদ্ধাময়ী পাহাড়ের গায়ে গড়ে তোলেন ‘মোনঘর’ নামের অতি মানবিক এক শিশু শিক্ষা সদন। এই মোনঘরই আজ বিশ্বখ্যাত। শিশু শিক্ষায় মানুষের চিন্তার রেণু বহন করে।
মোনঘরেই ভেন. থেমে থাকেননি। এই মোনঘর শিশু সদনকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলেন মোনঘর আবাসিক বিদ্যালয়, মোনঘর পালি কলেজ, মোনঘর প্রিÑক্যাডেট স্কুল, মোনঘর ভাষা শিক্ষাকেন্দ্র সহ ১৪টি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ঐ দূর পাহাড়ের সীমানা ছাড়িয়ে অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো শিক্ষার আলো ছিটিয়ে দিতে চান দেশের প্রতিটি প্রান্তে। এ প্রয়াস থেকে ২০০৪ সালে রাজধানী ঢাকার মিরপুরে প্রতিষ্ঠা করেন বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজ। একজন শিক্ষক, শিক্ষার মানুষ ভেন. আলোকিত মানুষ গড়ার চেতনাকে অবিরাম করতে গড়ে তোলেন বনফুল আদিবাসী এডুকেশন ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট।
ব্যক্তি জীবনে একজন সৃজনশীল বৌদ্ধ ভিক্ষু ভেন. কর্মক্ষেত্রে সর্বাধিক এবং সার্বজনীন মতের বিশ্বাসী। যা তাকে একজন সফল সংগঠকে পরিণত করেছে। অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্রগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তিনি মননশীল কর্ম পরিধির মাধ্যমে পার্বত্য ভিক্ষু সংঘকে বিশ্ববৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নজরে আনতে সক্ষম হন। অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরোর সাংগঠনিক জীবনে এক অনন্য মাইলফলকের নাম পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘ। তিনি প্রথম মেয়াদে ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত  এবং দ্বিতীয় মেয়াদে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার সময়কালে মানবিকতার দিক থেকে পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘ আদিবাসী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মাঙ্গলিক আশার প্রতীকে পরিণত হয় এবং বৌদ্ধদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ফেলোশিপ বুদ্ধিস্ট এর সদস্য পদ অর্জন করে। এসময় তিনি পার্বত্য বৌদ্ধ সংঘের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে জাপান, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র , কানাডা গমন করেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সভা ও সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেন।
ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার এবং রাঙ্গামাটি আনন্দ বিহারের অধ্যক্ষ ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো সারা বিশ্বে বসবাসরত বৌদ্ধদের তীর্থ সংঘ বিএলআইএ’র বাংলাদেশ অধ্যায়ের প্রধান হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৯৭ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন অত্তদীপা ফাউন্ডেশন। ১৯৯৮ সালে অত্তদীপা ফাউন্ডেশন বিএলআইএ’র সদস্য পদ লাভ করে।

Friday, September 2, 2016


বনভিক্ষুদের তথাকথিত বিশুদ্ধ ধর্মপ্রচার।।










যারা বর্তমান রাজবন বিহারের অধ্যক্ষ প্রজ্ঞালঙ্কার ভান্তের প্রচারিত এই অডিও রেকর্ড দেশনাটি শোনেননি বলে আমাকে অনুরোধ করেছেন শেয়ার করতে তাদের জন্য দেশনাটির খন্ডিত অংশ দিলাম। পুরো দেশনাটি(!?) অনেক বড়। তাই চুম্বক অংশটি শেয়ার দিলাম।
....................................
বনভিক্ষুদের তথাকথিত বিশুদ্ধ ধর্মপ্রচার।।
.......................................
”ভিক্ষু অনেই যারা নিত্য হীন হাম্বোই আগন
মুরি গেলে হি অবহ সিয়ান এক্কাও তারা ন ভাবন।
বনভান্তে দেশনাত হোইয়ে হয়েকজন ভান্তের হধা
মুরি যেনেই ইক্যে তারার হি উয়ে দজা।
রাজগুরু ভান্তে, রাষ্ট্রপাল, বিশুদ্ধানন্দ আর
নরগত পুরি দুগ পাদন্নোই দীপঙ্কর মহাথেরো।”
.................................................
নোট: রাজগুরু ভান্তে পার্বত্য এলাকার হলেও বাকি তিনজন প্রয়াত ভান্তে - রাষ্ট্রপাল ভান্তে, বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরো এবং দীপঙ্কর মহাথেরো হলেন সমতলের। উল্লেখ্য দীপঙ্কর মহাথেরো ভান্তে বনভান্তের প্রব্রজ্জা গুরু। এসব অডিও বিশুদ্ধ ধর্ম প্রচার ভক্তিতে বিশ্বাসে সহজ সরল দায়ক-দায়িকারা(বিশেষ করে চাকমারা) সকাল বিকাল শোনে ।