মিথ্যা নয় বাস্তব,,,,
একটু কষ্ট করে পড়ুন,,,,,,
আজকে সকাল সকাল শ্রদ্ধেয় সাধনা নন্দ মহাথের (বনভান্তের) একটি ধর্মীয় দেশনা শুনতেছিলাম, শুনতে শুনতে হঠাৎ ভান্তের দেশনায় এক গর্জন শুরু হয়,,, তা হচ্ছে..............
১/ পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ মৃত্যু মৃত্যুদন্ড
২/ ছাত্র পরিষদ
৩/ শান্তি বাহিনী মুত্যু মৃত্যু বলে চিল্লাচিল্লি করছে, এমন চিল্লাচ্চে যা ভাষায় বর্ণনা করা যাবেনা, সেই তিন সংগঠন থাকলে নাকি চাকমাদের সবার মৃত্যু হবে ধংস হবে, আর তিনি যদি সেরাবাহিনীদেরকে বললে অনুমতি দিলে সবাইকে নাকি শেষ করবে, আর তিনি বার বার শান্তিবাহিনীদের উদ্দেশ্যে সেটলার বাঙাল না মারার জন্য হুমকি দিচ্ছে,
তখন আমি বনভান্তের এমন মুখের বাক্য শুনে হতভঙ্গ হয়ে গেলাম, ভান্তের সেই গর্জন হুংকার শুনলে সবার ভয় লাগারও কথা, আমি মনে মনে সেই অতীতের এক জনের সাক্ষাত হওয়ার ঘটনায় ফিরে গেলাম বনভান্তে সেই তিন সংগঠন দলের প্রতি কেন এত ক্ষিপ্ত ছিল, কেন মৃত্য সহ মৃত্যুদন্ড কামনা করেছিল।
এক সময় আমি ঢাকায় এক কাজের জন্য যায়, ঢাকায় গিয়ে একটি ভদ্র লোক বাঙ্গালী আমাকে ডেকে বললো হ্যালো.. আপনি কি পাহাড়ী? মানে সেই পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে? আমি বললাম হ্যা আমি পাহাড়ী সেই পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় একটু কাজের জন্য এসেছি, তিনি আমাকে বললো আপনার সাথে কি কিছু কথা বলা যাবে? আমি বললাম হ্যা নিশ্চয়,,,
তারপর কথা শুরু করলো তিনি আমাকে বললো আপনাদের পাহাড়ে যাকে বনভান্তে বলে চিনে পাহাড়ে তাকে অনেক মহাপুরুষ বলে জানে, আমি বললাম হ্যা অবশ্যই চিনি, তারপর বললো আপনি কি লোগাং গনহত্যার কথা শুনেছেন? আমি বললাম হ্যা শুনেছি, তিনি বললো সেই গনহত্যা করা সেরাবাহিনীর মধ্যে আমি একজন ছিলাম বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত, এমন কথা শুনে আমি ভয় পেয়ে গেলাম, ও তাহলে আপনারা সেই গনহত্যা করেছেন? তিনি বললো সেই গনহত্যা শুধু আমরা করিনি সেই গনহত্যার পরিকল্পনাকারী মূল একজন ছিল তিনি হচ্ছেন আপনাদের সেই মহাপুরুষ বলে খ্যাত বনভান্তে নামে ভিক্ষুটি, তিনিই পরিকল্পনা করে ফিরে আসার পরে গনহত্যাটি পরিচালনা করা হয়েছে, তিনি আরো বললো ভাই একজন ভান্তে হয়ে এমন জাতিকে বিপর্যয়ে নিয়ে যেতে পারে ধংস হত্যায় নিমোজ্জিত হতে পারে যা আমি জীবনেও কল্পনা করিনি, তার এমন বক্তব্য আমি কখনো বিশ্বাস করতে পারিনি যা বিশ্বাস হবারও কথা নয়, কারন আমরা জুম্মরা সারাজীবন যাকে মহাপুরুষ ভেবে শ্রদ্ধা সন্মান পূজাঁ দিয়ে এসেছি তিনি এমন কাজ কীভাবে করবেন?সব মানুষের মনে এমন প্রশ্ন হতে পারে, তিনি আরো বিভিন্ন ভাবে সেই লোগাং গনহত্যার কথা বর্ণনা করেন, আমি তবুও তার সামনে বিশ্বাস করাতো দূরের কথা দারের কাছেও যায়নি, আমার এই কথাগুলো হইতো কারোর কাছে গ্রহনযোগ্যও হতে পারেনা বিশ্বাসও হতে পারেনা, এই বক্তব্যটি বানোয়াত নয় সত্য বলেছি কখনো মিথ্যা নয়,,,
তখন থেকে বনভান্তের সম্পর্কে এমন একটি তথ্য পেয়ে আমি নিজেকে নিজে প্রশ্ন করে থাকি, আর সেভাবে জীবন অতিবাহিত চলার মুহুর্তে বনভান্তের উপরের উপস্থাপন করা দেশনা বক্তব্যটি নিজের কানে শুনতে পেলাম, বনভান্তের এমন বক্তব্য আমাকে বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করছে বারবার নিজেকে মানতে কষ্ট হচ্ছে, তাহলে শেষপ্রান্তে ধরে নিলাম বনভান্তের এমন বক্তব্য সেরাবাহিনীদের সাথে জাহির করা সেরাবাহিনীদের হেলিকপ্তারে ঘুড়ে বেড়ানো গাড়িতে ভ্রমণ সেনাদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগীতা আসলে এমন আচরন দেখে আজ থেকে আমার সন্দেহ দূর হয়ে গেল, বনভান্তে নিজের ব্যক্তি আত্মহঙ্কারে নিমোজ্জিত হয়ে জুম্ম জাতির বিপর্যয়ের মুহুর্তে কাজ করে নিজেকে প্রতিষ্টিত করেছেন,
বনভান্তে তার বক্তব্য সব সময় সেরাবাহিনীদের প্রসংসা করেছেন, সেটলার বাঙ্গালিদের না মারার জন্য হুমকি দিয়েছেন, অন্যদিকে পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ, ছাত্র পরিষদ, শান্তি বাহিনীদের তুচ্চতাচ্চিল্যা করে সব চাকমাদের মুরিবা মুরিবা বলে মৃত্যু কামনা করেছেন, তাহলে বনভান্তের মূল পরিকল্পনা কার্যক্রম কি ছিল বুঝার আর বাকি থাকলোনা,
সুধী বৃন্ধ,
আমি একটি শব্দও বাড়িয়ে বলিনি, কারোর বিশ্বাস না হলে হতে পারে ঠিক আমারও একদিন সন্দেহ ছিল, তবুও নিজের কানে না শুনলে বিশ্বাস করা দুষ্কর,
আমি সত্য কথাটি উপাস্থাপন করার মধ্যে কারোর আমাকে ভাল না লাগলে আমার কিছু করার নেই, গালিগালিজ করা থেকে বিরত থাকুন, বিশ্বাস না হলে চুপ থাকুন, আমার কনো দোষ নেই,,,,,
আমার নরকের ভয় নেই,
আর স্বর্গ নির্বানেরও লোভ নেই...........







0 comments:
Post a Comment