Upatisso Bhikkhu
এত মৈত্রী রাখিব কোথায়, পায় না কূল ভাবিয়া,...
দুর্নাম করিয়া বর্জন করিছে তাও নাকি মৈত্রী দিয়া!
দুর্নাম করিয়া বর্জন করিছে তাও নাকি মৈত্রী দিয়া!
এই মৈত্রী কোথায় ছিল নিরিহ ভিক্ষুর তরে,..
যখন কাক, শকুন বলিয়া গালি দিয়াছিল অরহত হওয়ার পরে।
যখন কাক, শকুন বলিয়া গালি দিয়াছিল অরহত হওয়ার পরে।
বন্যবাদের একেমন স্বভাব বারে বারে দেখি হায়,...
বিশুদ্ধ ধর্মের নাম করিয়া সবকিছুর বৈধতা পায়।
বিশুদ্ধ ধর্মের নাম করিয়া সবকিছুর বৈধতা পায়।
বৌদ্ধ ধর্মের সোল এজেন্ট তারা শীলবানের নাম নেয়,...
তাদেরই কৃতকর্মের কথা তুলিলে হিংসুক আখ্যা দেয়।
তাদেরই কৃতকর্মের কথা তুলিলে হিংসুক আখ্যা দেয়।
অন্যভিক্ষুরে কাক বলিল, শকুন বলিল, বলিল নিকৃষ্ট,...
বন্য বলিতেই আঁতে লাগিল, তারা যে সভ্য উৎকৃষ্ট!!
ফরাসি বিপ্লবের আগে সমাজে ভয়ংকর ধর্ম ব্যবহার হয়েছিল। তিন শ্রেণি ছিল সামাজিকভাবে যথাক্রমে ১। যাজক শ্রেনি ২। অভিজাত শ্রেণি এবং ৩। তৃতীয় শ্রেনি বা জনগণ। রাজাদেরকে মনে করা হত স্বয়ং ইশ্বরের পুত্র। বিপ্লবের পূর্বে ছিল চতুর্দশ লুই আর বিপ্লবের সময় ছিল ষোড়শ লুই। লুই মানে রাজা। তখনকার ইউরোপের ব্যাপক রাজতন্ত্র ও রাজ্যশাসন ছিল। তবে পোল্যান্ড ও সুইডেন ছিল ভিন্ন অপরাপর দেশ ছিল বংশানুক্রমিক। পোল্যান্ড রাজ্যপদ ছিল নির্বাচনমুলক। রাজারা নিজের প্রয়োজনে ধর্মকে ব্যবহার করত। ধর্মবোধ দেখালে তারা জনগনের কাছে আদর্শ রাজা পরিচয় পেত। রাজারা ছিল রাজনৈতিকভাবে ছিল চরম আগ্রাসীপরায়ন। পরে ১৮শতাব্দিতে জ্ঞানচর্চার কারণে মানুষের বোধবিচার শক্তি জাগ্রত হয়। অতি প্রাকৃত বিষয়কে তারা বিশ্বাস করতে পারেনি। এর পেছনে যে কয়েকজন জ্ঞানীমানুষের নাম না বললে নয় তারা হলেন- মন্টেস্কু, ভলতেয়ার, রুশো, লক প্রভৃতি। তাদের যুক্তি চিন্তাধারা উন্মেষ ঘটে গোটা ফ্রান্সকে বিপ্লবের পেছনে এই জ্ঞান্দীপ্তি ব্যক্তিদের কারন রয়েছে। বিপ্লব ও বিপ্লবের পর ইউরোপ এত উন্নত পর্যায়ে আসার পেছনে তাদের অবদান রয়েছে। কোন ধর্ম রাজনীতির বাইরে যেতে পারেনি আর যেতে পারবেই বা কেন। এরিস্টল মনে করেন মানুষ রাষ্ট নির্ভর প্রাণি। কাজে বুদ্ধকেও রাষ্ট্রে নিময়ের উর্ধ্বে উঠতে পারেনি। সেই অনেক লেখক আছেন বুদ্ধকে সমালোচনা করেন বুদ্ধ নাকি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। তা নয় বলেছেন রাজা তোবা চোর তোবা'। এটা মনে রাখতে হবে বুদ্ধ রানৈতিক চরিত্রগুলো নিয়ে কথা বলেছন কিন্তু রাষ্ট্রে নিয়মের উর্ধ্বে উঠেনি। তখনকার রাজনৈতিকভাবে এক বিরাট সিদ্ধান্ত নিলেন সেটা হচ্ছে নারীদেরকে প্রব্রজ্যাকরন। সকল মানুষকে স্বীয়কর্মকে দায় করে সকল স্বত্ত্বদের সাম্য প্রতিষ্ঠা। এই কথাগুলো বুদ্ধের প্রতিটি কথা বলা আছে। বর্তমান যে নারীরা প্রব্রজ্যা লাভ করতে পারেনা এটা একটা দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস আছে। মুলত রাজনৈতিক কারণে নারী প্রব্রজ্য আর নিতে পারেনি। আর পার্বত্য চট্টগ্রামে বনভান্তে উত্থান একটা রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। শুধুমাত্র তাঁর গলার আওয়াজ শুনে গালি দিলে হবেনা। তিনি একজন সহজ সরল মানুষ। রাজনৈতিক সামাজিক জ্ঞানের অভাবের হেতু তিনি কখন যে ব্যবহার হয়েছে বেচারা তিনি জানেননি। তাই আমাদের আলোচনা করলেও বনভান্তের আনুগত্যের উর্ধ্বের উঠে, ভক্তের উর্ধ্বে উঠে আমাদের আলোচনার দাবি রাখে। যাতে সঠিক ইতিহাস ফুটে উঠে।






0 comments:
Post a Comment